প্রচ্ছদ কলাম

রোহিঙ্গা সংকট উত্তরণে আলেম সমাজের অবদান

উবায়দুর রহমান খান নদভী | বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৭ | পড়া হয়েছে 975 বার

সীমান্তে শরণার্থী সংকট এখন জাতীয় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ত্রাণ কার্যে আর্মি যুক্ত হওয়ায় মানুষ খুশি। শুরু থেকে কাজ করে আসা আলেম সমাজও স্বস্তি পেয়েছেন। জাতির আস্থাভাজন ও প্রিয় সংস্থা সেনাবাহিনী নামায় সারাদেশের ইমাম ও আলেমগণ শুকরিয়া আদায় করছেন। কারণ তারা ময়দানে কাজ করতে গিয়ে বহু সমস্যা আঁচ করছিলেন। রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক, কিছু খারাপ লোক মজলুম রোহিংগাদের অসহায়ত্বের সুযোগে নানা দুষ্কর্ম শুরু করে দিয়েছিল। কেউ সামান্য টাকা খাবার ওষুধ ইত্যাদির বিনিময়ে নারীদের নাক কান গলার বেঁচে যাওয়া অলংকার নিয়ে যাচ্ছিল। লাখ টাকার সোনার বালা পাঁচ হাজারে, বিশ হাজারের কানের দুল এক হাজারে কেনার ধুম পড়ে গিয়েছিল। আতংক বিরাজ করছিল শিশু ও নারী পাচারকারীদের হামলার। বেশি সময় পেলে ...বিস্তারিত

সীমান্তে শরণার্থী সংকট এখন জাতীয় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ত্রাণ কার্যে আর্মি যুক্ত হওয়ায় মানুষ খুশি। শুরু থেকে কাজ করে আসা আলেম সমাজও স্বস্তি পেয়েছেন। জাতির আস্থাভাজন ও প্রিয় সংস্থা সেনাবাহিনী নামায় সারাদেশের ইমাম ও আলেমগণ শুকরিয়া আদায় করছেন। কারণ তারা ময়দানে কাজ করতে গিয়ে বহু সমস্যা আঁচ করছিলেন। রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক, কিছু খারাপ লোক মজলুম রোহিংগাদের অসহায়ত্বের সুযোগে নানা দুষ্কর্ম শুরু করে দিয়েছিল। কেউ সামান্য টাকা খাবার ওষুধ ইত্যাদির বিনিময়ে নারীদের নাক কান গলার বেঁচে যাওয়া ...বিস্তারিত

সীমান্তে শরণার্থী সংকট এখন জাতীয় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ত্রাণ কার্যে আর্মি যুক্ত হওয়ায় মানুষ খুশি। শুরু থেকে ...বিস্তারিত

দেখে এলাম রোহিঙ্গা শরনার্থী শিবির

মোঃ আবদুল লতিফ নেজামী | বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | পড়া হয়েছে 630 বার

ইসলামের লক্ষই হচ্ছে মানুষের কল্যাণ সাধন। ইসলামে মানবিক মূল্যবোধের স্থান সবার ওপরে। মানবীয় ব্যাপার ইসলামে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মানবিক দিক ইসলামের মূখ্য বিষয়। মানবিক মূল্যবোধের ঘাটতির কারণে মৌলিক ইবাদাতসমূহ কোন কাজে আসবেনা। মানবিক ব্যাপার মানে ঈমানের ব্যাপার। মহান আল্লাহ-তায়ালার পছন্দের তালিকায়ও সর্বাগ্রে মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত লোকজন। ইসলামে মানবিক মূল্যবোধের গুরুত্ব ও মর্যাদা এতটাই যে, এখানে সকল প্রকার মানবিক আচরণকে ঈমানের সাথে সংশ্লিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। ইসলাম মানুষের জন্য, মানবতার জন্য এবং মনুষ্যত্বের জন্য। মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত মানুষই মু’মিন হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। ইসলামের শ্রেষ্ঠত্বের অন্যতম একটি কারণ এই যে, এটি উদার, সার্বজনীন, বিশ্বজনীন, মানবতাবাদী, মানবিক ও সাম্যভিত্তিক।

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ত্রাণ কমিটির সাথে ২৩ সেপ্টেম্বর ...বিস্তারিত

ইসলামের লক্ষই হচ্ছে মানুষের কল্যাণ সাধন। ইসলামে মানবিক মূল্যবোধের স্থান সবার ওপরে। মানবীয় ব্যাপার ইসলামে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মানবিক দিক ইসলামের মূখ্য বিষয়। মানবিক মূল্যবোধের ঘাটতির কারণে মৌলিক ইবাদাতসমূহ কোন কাজে আসবেনা। মানবিক ব্যাপার মানে ঈমানের ব্যাপার। মহান আল্লাহ-তায়ালার পছন্দের তালিকায়ও সর্বাগ্রে মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত লোকজন। ইসলামে মানবিক মূল্যবোধের গুরুত্ব ও মর্যাদা এতটাই যে, এখানে সকল প্রকার মানবিক আচরণকে ঈমানের সাথে সংশ্লিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। ইসলাম মানুষের জন্য, মানবতার জন্য এবং মনুষ্যত্বের জন্য। মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত মানুষই মু’মিন ...বিস্তারিত

ইসলামের লক্ষই হচ্ছে মানুষের কল্যাণ সাধন। ইসলামে মানবিক মূল্যবোধের স্থান সবার ওপরে। মানবীয় ব্যাপার ইসলামে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ...বিস্তারিত

বাংলাদেশে ঈদ

আ. ক. ম আশরাফুল হক | শুক্রবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | পড়া হয়েছে 595 বার

ঈদ একটি নির্মল আনন্দ উৎসব। উচ্ছৃঙ্খলতার প্রশ্রয় যেখানে নেই। কুসংস্কারমুক্ত মননশীল ও বর্ণবৈষম্যহীন উৎসব হচ্ছে ঈদ। ঈদ আমাদের জীবনে বছরে দুবার আসে। প্রথমত দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর মনকে পুত-পবিত্রকরণের মধ্য দিয়ে আসে ঈদুল ফিতর। দ্বিতীয়ত সত্যের জন্য যেকোন ধরনের ত্যাগ-তিতিক্ষার ডাক নিয়ে আসে ঈদুল আযজা বা কোরবানির ঈদ।

ঈদ সবার জন্যই বয়ে নিয়ে আসে আনন্দ ও খুশি। সমতা ও উদারতার উৎসব ঈদ। যাতে ছোট-বড়, সাদা-কালো, ধনী-গরিব, রাজা-প্রজার কোন ভেদাভেদ নেই। সবাই তাতে সমভাবে অংশগ্রহণ করে থাকে। বাংলাদেশে অনেক উৎসবই আছে তন্মধ্যে ঈদ উৎসবই সর্ববৃহৎ। যার তাৎপর্য এ দেশের সংস্কৃতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঈদ যে কেবলই উৎসব নয়, বরং তা বাংলাদেশি সংস্কৃতির অন্যতম নিদর্শন। ঈদ বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে ...বিস্তারিত

ঈদ একটি নির্মল আনন্দ উৎসব। উচ্ছৃঙ্খলতার প্রশ্রয় যেখানে নেই। কুসংস্কারমুক্ত মননশীল ও বর্ণবৈষম্যহীন উৎসব হচ্ছে ঈদ। ঈদ আমাদের জীবনে বছরে দুবার আসে। প্রথমত দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর মনকে পুত-পবিত্রকরণের মধ্য দিয়ে আসে ঈদুল ফিতর। দ্বিতীয়ত সত্যের জন্য যেকোন ধরনের ত্যাগ-তিতিক্ষার ডাক নিয়ে আসে ঈদুল আযজা বা কোরবানির ঈদ।

ঈদ সবার জন্যই বয়ে নিয়ে আসে আনন্দ ও খুশি। সমতা ও উদারতার উৎসব ঈদ। যাতে ছোট-বড়, সাদা-কালো, ধনী-গরিব, রাজা-প্রজার কোন ভেদাভেদ নেই। সবাই তাতে সমভাবে অংশগ্রহণ করে ...বিস্তারিত

ঈদ একটি নির্মল আনন্দ উৎসব। উচ্ছৃঙ্খলতার প্রশ্রয় যেখানে নেই। কুসংস্কারমুক্ত মননশীল ও বর্ণবৈষম্যহীন উৎসব হচ্ছে ঈদ। ঈদ আমাদের ...বিস্তারিত

প্রধান দু’টি দলের নেতিবাচক প্রবণতা দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকারক

দুরমুজখাঁ | মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট ২০১৭ | পড়া হয়েছে 620 বার

দুরমুজখাঁ সুপ্রিম কোর্টের দু’টি রায়ে দেশের দু’টি প্রধান দল নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গীর পরিচয় দিয়েছেন। তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গী নিতান্তই আত্মকেন্দ্রিক, উগ্র, অসহিষ্ণু, নেতিপ্রবণ, সঙ্কীর্ণ্, অদূরদর্শী, জাতীয় স্বার্থ্ ও জনস্বার্থের পরিপন্থী। রায় সম্পর্কে দু’টি দলের কর্মকুণ্ঠতা, তর্ক্ প্রবণতা , ঈর্ষাপরায়ণতা ও পরশ্রীকাতরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। ভুল-ক্রুটি স্বীকার করার ও সংশোধন করার প্রবণতা দল দুটির রাজনীতিতে এখনো দুর্লভ।

দল দু’টি যখন বিপদে পড়ে, তখন অবস্থার চাপে বাধ্য হয়ে সাময়িকভাবে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। কলহ-কোন্দল, অনৈক্য ও বিভেদের কারণেই বিদেশিরা ও তাদের এদেশীয় মিত্ররা দু’টি দলের ওপর আধিপত্য বিস্তারের প্রয়াস চালায়। যেমন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক মুন সিনেমা হলের অধিগ্রহণ সংক্রান্ত মামলায় রায় দিতে গিয়ে অপ্রাসঙ্গিকভাবে সংবিধানের পঞ্চম ও ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করেন। এতে ...বিস্তারিত

দুরমুজখাঁ সুপ্রিম কোর্টের দু’টি রায়ে দেশের দু’টি প্রধান দল নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গীর পরিচয় দিয়েছেন। তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গী নিতান্তই আত্মকেন্দ্রিক, উগ্র, অসহিষ্ণু, নেতিপ্রবণ, সঙ্কীর্ণ্, অদূরদর্শী, জাতীয় স্বার্থ্ ও জনস্বার্থের পরিপন্থী। রায় সম্পর্কে দু’টি দলের কর্মকুণ্ঠতা, তর্ক্ প্রবণতা , ঈর্ষাপরায়ণতা ও পরশ্রীকাতরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। ভুল-ক্রুটি স্বীকার করার ও সংশোধন করার প্রবণতা দল দুটির রাজনীতিতে এখনো দুর্লভ।

দল দু’টি যখন বিপদে পড়ে, তখন অবস্থার চাপে বাধ্য হয়ে সাময়িকভাবে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। কলহ-কোন্দল, অনৈক্য ও বিভেদের কারণেই বিদেশিরা ও তাদের এদেশীয় মিত্ররা দু’টি ...বিস্তারিত

দুরমুজখাঁ সুপ্রিম কোর্টের দু’টি রায়ে দেশের দু’টি প্রধান দল নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গীর পরিচয় দিয়েছেন। তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গী নিতান্তই আত্মকেন্দ্রিক, উগ্র, ...বিস্তারিত

বন্যার্তদের সাহায্য করুন, তবে কোরবানি বাদ দিয়ে নয়

মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী | সোমবার, ২১ আগস্ট ২০১৭ | পড়া হয়েছে 698 বার

মুসলিম সমাজে একশ্রেণির লোক এমন সবসময়ই ছিল যারা ইসলাম সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ। যেমন, কেউ কেউ মত প্রকাশ করে যে পশু কোরবানী না দিয়ে সমপরিমাণ অর্থ দান করে দিলে আরও ভালো হয়। এতে নাকি পশুর প্রাণও বেঁচে যায়, কৃষিতে সঙ্কট দেখা দেয় না আর গরীব মানুষ অর্থও হাতে পায়। এরকমই একটি নির্বোধশ্রেণি ইদানীং বলতে শুরু করেছে, এ বছর বন্যার সময় কোরবানী ঈদ এসেছে। অতএব পশু কোরবানী না দিয়ে সমপরিমাণ অর্থ বন্যার্তদের মাঝে বিলিয়ে দিলে ভালো হয়। এসব কথার পেছনে যে যুক্তি দেখানো হয় তা খোঁড়া যুক্তি। শরীয়তের উদ্দেশ্য ও হেকমতের সামনে এসব যুক্তি চলে না। সাধারণ বিবেচনায়ও এসব যুক্তি ধোপে টেকে না। মুসলমান মাত্রই জানা উচিত যে প্রতিটি মুসলমানের ...বিস্তারিত

মুসলিম সমাজে একশ্রেণির লোক এমন সবসময়ই ছিল যারা ইসলাম সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ। যেমন, কেউ কেউ মত প্রকাশ করে যে পশু কোরবানী না দিয়ে সমপরিমাণ অর্থ দান করে দিলে আরও ভালো হয়। এতে নাকি পশুর প্রাণও বেঁচে যায়, কৃষিতে সঙ্কট দেখা দেয় না আর গরীব মানুষ অর্থও হাতে পায়। এরকমই একটি নির্বোধশ্রেণি ইদানীং বলতে শুরু করেছে, এ বছর বন্যার সময় কোরবানী ঈদ এসেছে। অতএব পশু কোরবানী না দিয়ে সমপরিমাণ অর্থ বন্যার্তদের মাঝে বিলিয়ে দিলে ভালো হয়। এসব কথার পেছনে ...বিস্তারিত

মুসলিম সমাজে একশ্রেণির লোক এমন সবসময়ই ছিল যারা ইসলাম সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ। যেমন, কেউ কেউ মত প্রকাশ করে ...বিস্তারিত

উপমহাদেশের রাজনীতিতে গরু

রাজনৈতিক বিশ্লেষক | বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৭ | পড়া হয়েছে 713 বার

আধুনিক যুগে গোটা উপমহাদেশের রাজনীতি গরু নিয়ে আবর্তিত হবে তা কেউ চিন্তা করেছেন বলে মনে হয় না। কিন্তু বাস্তবে তাই হচ্ছে। এমন বিদ্বেষ সংকীর্ণতা ও সাম্প্রদায়িক ভেদবুদ্ধি ভারতকে কোথায় নিয়ে যাবে তা হয়ত হিন্দুত্ববাদি নেতারা আন্দাজ করতে পারছেন না। তবে ভারতের সাধারণ মানুষ ভেবে শঙ্কিত যে, বহুত্ববাদি ঐক্যবদ্ধ ভারত কি তার অন্ধকার ভবিষ্যতের খুব কাছাকাছি চলে যাচ্ছে? বিজেপি শাসিত ভারতে গরুকে কেন্দ্র করে যত আইন নিষেধাজ্ঞা ও ত্রাস সৃষ্টিকারী তৎপরতা তা বিশ্ববাসীর চোখে এক ধরনের পশ্চাৎপদ রাজনীতির নিদর্শন বলে বিবেচিত। একটি সেক্যুলার রাষ্ট্রে নাগরিকদের খাদ্য বিষয়ে এমন বিধি-নিষেধ ও জবরদস্তিমূলক সামাজিক চাপ স্বাভাবিক নয়। অর্থনীতিতে নোবেল পাওয়া ডক্টর অমর্ত্য সেন, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়া লেখক অরুন্ধতি রায়, পশ্চিম বঙ্গের ...বিস্তারিত

আধুনিক যুগে গোটা উপমহাদেশের রাজনীতি গরু নিয়ে আবর্তিত হবে তা কেউ চিন্তা করেছেন বলে মনে হয় না। কিন্তু বাস্তবে তাই হচ্ছে। এমন বিদ্বেষ সংকীর্ণতা ও সাম্প্রদায়িক ভেদবুদ্ধি ভারতকে কোথায় নিয়ে যাবে তা হয়ত হিন্দুত্ববাদি নেতারা আন্দাজ করতে পারছেন না। তবে ভারতের সাধারণ মানুষ ভেবে শঙ্কিত যে, বহুত্ববাদি ঐক্যবদ্ধ ভারত কি তার অন্ধকার ভবিষ্যতের খুব কাছাকাছি চলে যাচ্ছে? বিজেপি শাসিত ভারতে গরুকে কেন্দ্র করে যত আইন নিষেধাজ্ঞা ও ত্রাস সৃষ্টিকারী তৎপরতা তা বিশ্ববাসীর চোখে এক ধরনের পশ্চাৎপদ রাজনীতির নিদর্শন ...বিস্তারিত

আধুনিক যুগে গোটা উপমহাদেশের রাজনীতি গরু নিয়ে আবর্তিত হবে তা কেউ চিন্তা করেছেন বলে মনে হয় না। কিন্তু ...বিস্তারিত

মালিক-শ্রমিকের স্বার্থ সংরক্ষণে ইসলামী শ্রমনীতির গুরুত্ব

হাফেজ মুহাম্মদ আবুল মঞ্জুর | রবিবার, ৩০ এপ্রিল ২০১৭ | পড়া হয়েছে 861 বার

পহেলা মে ‘শ্রমিক দিবস’ বা ‘মে দিবস’ হিসেবে ইতিহাস সমাদৃত হয়ে আসছে। ন্যায়সঙ্গত কর্মঘন্টা নির্ধারণের দাবীতে ১৮৮৬ সালের এই দিনে আমেরিকার শিকাগো শহরে শ্রমিক সমাজের যে আন্দোলন গড়ে উঠেছিলো তাকে কেন্দ্র করেই সূচিত হয় মে দিবসের ইতিহাস। এই আন্দোলনে শ্রমিকের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে। প্রাণও হারিয়েছেন শ্রমিক সমাজের অনেকেই। ফলশ্রুতিতে দিনটি শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের দিন হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। প্রতি বছর মে দিবস বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। দিবসটি স্মরণে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ, র‌্যালি ইত্যাদি আয়োজন হয়ে থাকে। এসব আয়োজনে মে দিবসের ইতিহাস যেমন আলোচিত হয়; তেমনিভাবে উত্থাপিত হয় শ্রমিকদের ন্যায্য দাবী সমূহ। কিন্তু শ্রমিকদের সেই ন্যায্য দাবী-দাওয়ার অধিকাংশই আজো পর্যন্ত কি বাস্তবতার মুখ দেখেছে ? বরং এখনও বিভিন্ন দাবীর আন্দোলনে ...বিস্তারিত

পহেলা মে ‘শ্রমিক দিবস’ বা ‘মে দিবস’ হিসেবে ইতিহাস সমাদৃত হয়ে আসছে। ন্যায়সঙ্গত কর্মঘন্টা নির্ধারণের দাবীতে ১৮৮৬ সালের এই দিনে আমেরিকার শিকাগো শহরে শ্রমিক সমাজের যে আন্দোলন গড়ে উঠেছিলো তাকে কেন্দ্র করেই সূচিত হয় মে দিবসের ইতিহাস। এই আন্দোলনে শ্রমিকের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে। প্রাণও হারিয়েছেন শ্রমিক সমাজের অনেকেই। ফলশ্রুতিতে দিনটি শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের দিন হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। প্রতি বছর মে দিবস বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। দিবসটি স্মরণে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ, র‌্যালি ইত্যাদি আয়োজন হয়ে থাকে। এসব আয়োজনে মে ...বিস্তারিত

পহেলা মে ‘শ্রমিক দিবস’ বা ‘মে দিবস’ হিসেবে ইতিহাস সমাদৃত হয়ে আসছে। ন্যায়সঙ্গত কর্মঘন্টা নির্ধারণের দাবীতে ১৮৮৬ সালের ...বিস্তারিত

কওমী মাদরাসা শিক্ষা জ্ঞান-বিজ্ঞানের মশ্বাল জ্বালিয়ে আবারো বিশ্বকে আলোকিত করবে

মাওলানা মোঃ আবদুল লতিফ নেজামী | শনিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৭ | পড়া হয়েছে 796 বার

পাশ্চাত্য দুনিয়া যখন জ্ঞান-বিজ্ঞানের অমানিশার কালো অন্ধকারে নিমজ্জিত হচ্ছিল, ঠিক তখনই মুসলিম মনীষীরাই জ্ঞানের মশাল জ্বালিয়ে সমগ্র বিশ্বকে আলোকিত করে তুলেন। যা ছড়িয়ে পড়লো সমগ্র ইউরোপে, সমাদৃত হলো সমগ্র বিশ্বে। মুসলিম দার্শনিকেরাই ইসলামকে দার্শ্নিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার বিশ্লেষণের প্রেরণা পেলো। মুসলিম চিন্তাবিদেরাই প্লেটো অ্যাস্টিটলের দর্শনকে ইউরোপসহ সমগ্র বিশ্বে পরিচয় করিয়ে দিলেন। আব্বাসীয় এবং উমাইয়া শাসকদের উদার মনোভাব ও অকৃত্রিম পৃষ্ঠপোষকতার জন্যই বিশ্ববাসী আজ প্লেটো ও অ্যারিস্টটলের নাম জানতে সক্ষম হয়েছে। মুসলিম খলিফাদের পৃষ্ঠপোষকতায় বহু দার্শনিক, বৈজ্ঞানিক, চিকিৎসক, সাহিত্যিক, আইনবিদসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিবেদিত প্রাণ মুসলিম মনীষী জ্ঞান-বিজ্ঞানের সর্ব্ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব্ উন্নতি সাধনে সক্ষম হয়েছিলেন।

ইউরোপের নবজাগরণ এবং আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের উন্নতি সাধন তাঁদেরই সুচিন্তিত গবেষণা ও দূরদর্শিতার ফল। মহানবি (স.)-এর ...বিস্তারিত

পাশ্চাত্য দুনিয়া যখন জ্ঞান-বিজ্ঞানের অমানিশার কালো অন্ধকারে নিমজ্জিত হচ্ছিল, ঠিক তখনই মুসলিম মনীষীরাই জ্ঞানের মশাল জ্বালিয়ে সমগ্র বিশ্বকে আলোকিত করে তুলেন। যা ছড়িয়ে পড়লো সমগ্র ইউরোপে, সমাদৃত হলো সমগ্র বিশ্বে। মুসলিম দার্শনিকেরাই ইসলামকে দার্শ্নিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার বিশ্লেষণের প্রেরণা পেলো। মুসলিম চিন্তাবিদেরাই প্লেটো অ্যাস্টিটলের দর্শনকে ইউরোপসহ সমগ্র বিশ্বে পরিচয় করিয়ে দিলেন। আব্বাসীয় এবং উমাইয়া শাসকদের উদার মনোভাব ও অকৃত্রিম পৃষ্ঠপোষকতার জন্যই বিশ্ববাসী আজ প্লেটো ও অ্যারিস্টটলের নাম জানতে সক্ষম হয়েছে। মুসলিম খলিফাদের পৃষ্ঠপোষকতায় বহু দার্শনিক, বৈজ্ঞানিক, চিকিৎসক, সাহিত্যিক, ...বিস্তারিত

পাশ্চাত্য দুনিয়া যখন জ্ঞান-বিজ্ঞানের অমানিশার কালো অন্ধকারে নিমজ্জিত হচ্ছিল, ঠিক তখনই মুসলিম মনীষীরাই জ্ঞানের মশাল জ্বালিয়ে সমগ্র বিশ্বকে ...বিস্তারিত

কওমী শিক্ষা ও সাম্প্রতিক ভাবনা

মাওলানা রিজওয়ান রফীক জমীরাবাদী | শুক্রবার, ২১ এপ্রিল ২০১৭ | পড়া হয়েছে 1081 বার

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক কওমী মাদরাসার দাওরায়ে হাদীসকে মাস্টার্সের মান ঘোষণার পর থেকে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছে কওমী মাদরাসা। বিভিন্ন মহলে বিভিন্ন প্রশ্ন। সরকারি শিক্ষাক্রমের সাথে কওমী পাঠ্যক্রমের সামঞ্জস্য কতটুকু? কওমী মাদরাসার শিক্ষামাধ্যম কি? ইত্যাদি। বিশেষ করে আলিয়া মাদরাসায় পড়ুয়ারা তাদের পাঠ্যতালিকার সাথে কওমী পাঠ্যতালিকার সামঞ্জস্যতা জানতে কৌতূহলী। সাধারণ শিক্ষিতরা এই শিক্ষার মান ও স্তর বিন্যাস সম্পর্কে অবগত হতে আগ্রহী।

কওমী মাদরাসায় যে পাঠ্যক্রম অনুসরণ হয়, তা হলো এতদঅঞ্চলের সবচেয়ে প্রাচীন পাঠ্যক্রম। যে পাঠ্যক্রমের ওপর পুরো উপমহাদেশে ইসলামী শিক্ষার ভিত্তি বললেও অত্যুক্তি হবে না। যাকে বলা হয় দরসে নেজামী। অর্থাৎ নেজামী পাঠ্যক্রম। উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের পূর্বে মুসলিম শাসকদের আমলে পরিচালিত মাদরাসাগুলোতে এই পাঠ্যক্রমই প্রচলিত ছিল। ...বিস্তারিত

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক কওমী মাদরাসার দাওরায়ে হাদীসকে মাস্টার্সের মান ঘোষণার পর থেকে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছে কওমী মাদরাসা। বিভিন্ন মহলে বিভিন্ন প্রশ্ন। সরকারি শিক্ষাক্রমের সাথে কওমী পাঠ্যক্রমের সামঞ্জস্য কতটুকু? কওমী মাদরাসার শিক্ষামাধ্যম কি? ইত্যাদি। বিশেষ করে আলিয়া মাদরাসায় পড়ুয়ারা তাদের পাঠ্যতালিকার সাথে কওমী পাঠ্যতালিকার সামঞ্জস্যতা জানতে কৌতূহলী। সাধারণ শিক্ষিতরা এই শিক্ষার মান ও স্তর বিন্যাস সম্পর্কে অবগত হতে আগ্রহী।

কওমী মাদরাসায় যে পাঠ্যক্রম অনুসরণ হয়, তা হলো এতদঅঞ্চলের সবচেয়ে প্রাচীন পাঠ্যক্রম। যে পাঠ্যক্রমের ওপর ...বিস্তারিত

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক কওমী মাদরাসার দাওরায়ে হাদীসকে মাস্টার্সের মান ঘোষণার পর থেকে আলোচনার শীর্ষে উঠে ...বিস্তারিত

কওমী স্বীকৃতি নিয়ে একটি মূল্যায়ন

মাওলানা কবির আহমদ আড়াইহাজারী | বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০১৭ | পড়া হয়েছে 1676 বার

গত ১১ এপ্রিল ২০১৭ইং মঙ্গলবার বাংলাদেশের ইতিহাসে বিশেষ করে কওমী মাদ্রাসার ইতিহাসে একটি স্বরণীয় দিন। কারণ সেদিন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, কওমী মাদরাসার দাওরায়ে হাদীসের সনদকে মাষ্টার্স-এর সমমান ঘোষণা করেছেন। যদিও এই কাজটি ২৯ আগষ্ট ২০০৬ সনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াও করে ছিলেন। ( যা ২০ ডিসেম্বর ২০০৬ বুধবার শিক্ষামন্ত্রণালয় থেকে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছিল এবং ১৩/১০/২০০৮ তারিখে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মুঞ্জুরী কমিশন থেকে একটি প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়।)

কিন্তু এ দুইয়ে মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে ১১ এপ্রিল-১৭ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর আহবানে গণভবনে যেমন উপস্থিত ছিলেন শাপলা চত্বরের রক্তাক্ত ও মামলা মুকাদ্দমায় জর্জরিত উলামায়ে কেরাম ও রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যাঙ্গাত্বক, বিদ্রুপাত্বক তেতুল হুজুরখ্যাত হেফাজতে ইসলাম প্রধান ...বিস্তারিত

গত ১১ এপ্রিল ২০১৭ইং মঙ্গলবার বাংলাদেশের ইতিহাসে বিশেষ করে কওমী মাদ্রাসার ইতিহাসে একটি স্বরণীয় দিন। কারণ সেদিন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, কওমী মাদরাসার দাওরায়ে হাদীসের সনদকে মাষ্টার্স-এর সমমান ঘোষণা করেছেন। যদিও এই কাজটি ২৯ আগষ্ট ২০০৬ সনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াও করে ছিলেন। ( যা ২০ ডিসেম্বর ২০০৬ বুধবার শিক্ষামন্ত্রণালয় থেকে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছিল এবং ১৩/১০/২০০৮ তারিখে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মুঞ্জুরী কমিশন থেকে একটি প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়।)

কিন্তু এ দুইয়ে ...বিস্তারিত

গত ১১ এপ্রিল ২০১৭ইং মঙ্গলবার বাংলাদেশের ইতিহাসে বিশেষ করে কওমী মাদ্রাসার ইতিহাসে একটি স্বরণীয় দিন। কারণ সেদিন গণপ্রজাতন্ত্রী ...বিস্তারিত

আর্কাইভ