প্রচ্ছদ আন্তর্জাতিক, স্লাইডার

বাংলাদেশের সঙ্গে এ সপ্তাহেই সমঝোতা স্মারক সাক্ষর: সু চি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭ | পড়া হয়েছে 518 বার

বাংলাদেশের সঙ্গে এ সপ্তাহেই সমঝোতা স্মারক সাক্ষর: সু চি

বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিরাপদ ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবর্তনে চলতি সপ্তাহেই বাংলাদেশের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের আশা প্রকাশ করেছেন মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি।

মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর-১৭) আসেম পররাষ্ট্র মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে তিনি বলেন, ১৯৯০ সালের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের কাঠামো অনুযায়ী নতুন চুক্তি করা হবে।

গত আগস্টে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির পুলিশের চেকপোস্টে হামলার জেরে ক্লিয়ারেন্স অপারেশন শুরু করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। এর জেরে গত ৩ মাসে ৬ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। এই রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফেরত পাঠাতে গত মাসে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে সরকার। সু চি বলেন, আগামী মঙ্গল ও বুধবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা হবে। আমরা আশা করি এই আলোচনার ফলাফল হিসেবে সমঝোতা স্মারক সাক্ষর করতে সক্ষম হব যার মাধ্যমে আমরা সীমান্ত পেরিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে পারব।

নোবেল পুরস্কার জয়ী সু চি রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহার করেননি। সু চি বলেন, ১৯৯০ সালের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের চুক্তির কাঠামো অনুসরণ করবে মিয়ানমার। সেই চুক্তিতে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব প্রদানের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না। বাংলাদেশ এবার চাইছে এবারের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যেন রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। সু চি বলেন, এবারের প্রত্যাবাসনের ভিত্তি হবে স্থায়ী আবাস, যে বিষয়ে দুই দেশের সরকারের মধ্যে অনেক আগেই সমঝোতা হয়েছে। তাই আমরা এই ফর্মুলাই অনুসরণ করব।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে চলতি আলোচনার শুরুতে মূল বিষয়ে ঐকমত্য পৌঁছিয়েছে বলে জানানো হয়। তবে মিয়ানমারের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, দাতা সংস্থাগুলো থেকে সহায়তা নেয়ার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সমঝোতা করতে দেরি করছে। বাংলাদেশ এই অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানায়। সু চিও বলেন, সমঝোতা স্মারক সাক্ষরের কতটুকু কাছে মিয়ানমার-বাংলাদেশ সেটা বলা মুশকিল। রাখাইনে নিরাপত্তা বজায় রাখতে সরকার সম্ভব সবকিছু করছে। তবে এই সংকট সমাধানে সময় লাগবে।

মিয়ানমার প্রত্যাবাসিত রোহিঙ্গাদের তাদের নিজস্ব বাসস্থানে ফেরত নেয়ার পরিবর্তে ‘মডেল ভিলেজে’ নেয়ার ইচ্ছাপোষণ করেছে। জাতিসংঘ এই চেষ্টাকে অতীতে স্থায়ী শরণার্থী শিবির তৈরির প্রচেষ্টা হিসেবে সমালোচনা করেছে। রয়টার্স

qaominews.com/কওমীনিউজ/এইচ

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

আর্কাইভ