প্রচ্ছদ কওমী সংবাদ, স্লাইডার

গ্রিকদেবীর মূর্তি স্থাপন মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও সংবিধানবিরোধী

স্টাফ রিপোর্টার | বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৭ | পড়া হয়েছে 383 বার

গ্রিকদেবীর মূর্তি স্থাপন মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও সংবিধানবিরোধী

সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে গ্রিক দেবীর মূর্তি স্থাপন করে এদেশের ৯২ ভাগ মানুষের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত দেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত দেয়ার এখতিয়ার কারো নেই। সংবিধান লঙ্ঘন করে মূর্তি স্থাপন করে ধর্মীয় অনুভুতিতে যারা আঘাত করেছে তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। পীর সাহেব বলেন, মূর্তি অপসারণের দায়িত্ব সরকার ও সুপ্রিমকোর্টের।

বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর-১৭) কওমীনেউজে পাঠানো এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বখ্যাত মসজিদের নগরী ঢাকাকে মূর্তির নগরীতে পরিণত করতেই মূর্তি স্থাপনের প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমান এবং রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের দেশ বাংলাদেশের শতকরা ৯২ ভাগ মুসলমানের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাতকারী মূর্তি মুসলমানরা সহ্য করবে না। প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা কর্তৃক স্থাপিত মূর্তি ধ্বংস করার দায়িত্ব সরকার ও সুপ্রিমকোর্ট-এর। অবিলম্বে সংবিধান বিরোধী মূর্তি ধ্বংস না করলে আবারো আন্দোলন বেগবান করতে বাধ্য হবেন ঈমানদার জনতা ও ইসলামী দলসমূহ।

তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা একক সিদ্ধান্তে সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে মূর্তি স্থাপন করে এদেশের ৯২ ভাগ মানুষকে বিক্ষুব্ধ করে তুলেছেন। বাংলাদেশের গণ-মানুষের আস্থার প্রতীক সর্বোচ্চ বিচারালয় সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে গ্রীক দেবি থেমিসের মূর্তি স্থাপন করে মুসলামনদেরকে শিরককারী ও হিন্দুত্ববাদী করার চক্রান্ত করা হচ্ছে। দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান জনগোষ্ঠীর অন্তরে চরমভাবে আঘাতকারী দেশের বিভিন্নস্থানে স্থাপিত মূর্তিগুলো অপসারণ করতে হবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মূর্তি অপসারণে ওয়াদা করেছেন। এই ওয়াদা সরকার এবং বর্তমান দায়িত্বে নিয়োজত প্রধান বিচারপতিকে পালন করতে হবে।

qaominews.com/কওমীনিউজ/এইচ

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

আর্কাইভ