• শনিবার ২৮শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

    শিরোনাম

    কোরবানি দিতে দেখলেই কঠোর ব্যবস্থা: বিজেপি

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ২৮ জুলাই ২০২০ | ১১:২৪ অপরাহ্ণ

    কোরবানি দিতে দেখলেই কঠোর ব্যবস্থা: বিজেপি

    ছবি: সংগৃহীত

    আসন্ন ঈদুল আজহায় ভারতের মুসলমানদের কোরবানি করার ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়ে উত্তর প্রদেশের বিজেপি সাংসদ নন্দকিশোর গুর্জর বলেছেন, ‘ঈদে কাউকে কোরবানি দিতে দেখা গেলেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যদি কেউ ভেবে থাকেন, তিনি কোরবানি দেবেনই তাহলে নিজের প্রিয় জিনিস, নিজের সন্তানকে দিন। আমাদের কোনও আপত্তি নেই’। খবর সংবাদ প্রতিদিন ও আজকালের।

    আগামী শনিবার পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম সমাজের ধর্মীয় ইবাদত কুরবানি এবং বার্ষিক দ্বিতীয় উৎসব এদিন পালিত হবে। কোরবানি ইসলাম ধর্মের মহান গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। সামর্থ্যবান প্রত্যেক নর-নারীর উপর কুরবানী করা ওয়াজিব। ভারতে মুসলিমরা করোনার মধ্যে এবং ধর্মীয় কারণে কীভাবে ঈদের নামাজ আদায় করবেন এবং কীভাবে কোরবানি করবেন তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। এমন অবস্থায় এই বিতর্কিত মন্তব্য করলেন উত্তর প্রদেশ রাজ্য ও কেন্দ্রীয় ক্ষমতায় থাকা দলের সাংসদ।


    গাজিয়াবাদের লোনি কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ নন্দকিশোর গুর্জরের দাবি, করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এ বছর ঈদে পশু কোরবানি দেওয়া উচিত নয় মুসলিমদের। আর যদি কোরবানি দিতে হয়, তাহলে নিজের সন্তানকে দিন। নিরীহ পশুগুলোকে মারবেন না। একটিও যাতে কোরবানি না হয় সেজন্য তিনি গাজিয়াবাদ প্রশাসনকে জানাবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
    গুর্জর বলেন, ‘যেভাবে সনাতন ধর্মে এখন আর বলি দেওয়া হয় না। নারকেল ফাটিয়ে আমরা বলিদানের রীতি পালন করি। সেভাবেই মুসলিমদের আমি বলব, করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এ বছর কোরবানি বন্ধ রাখুন।’

    এর আগে করোনা ও লকডাউন পরিস্থিতির মধ্যে উত্তর প্রদেশের সমাজবাদী পার্টির এমপি শফিকুর রহমান ঈদে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারকে বিশেষ ছাড় দেওয়ার কথা বলেছিলেন। তিনি বলেন, ঈদুল আজহায় মুসলিমদের ঈদগাহ এবং মসজিদে জামাতে নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া উচিত। মুসলিমরা যাতে কোরবানির পশু ক্রয় করতে পারে সেজন্য ঈদে পশু বাজার খোলার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি। পাল্টা জবাবে বিজেপি নেতা ও সাংসদ সঙ্গীত সোম তাকে কারাগারে পাঠানোর হুমকি দিয়ে বলেন, ‘যেভাবে আজম খান (সমাজবাদী পার্টির নেতা) কারাগারে ঈদ পালন করেছেন, ওনাকেও ঈদ কারাগারে পালন করতে হবে।’


    উল্লেখ্য, কোরবানি উপলক্ষে প্রতিবছরই ভারতীয় মুসলমানদেরকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতন করা হয়ে থাকে। গণতান্ত্রিক দেশ ভারতে মুসলমানদের ধর্মীয় বিধান পালনে নিষেধাজ্ঞা এবং হয়রানি করা তাদের অধিকারে হস্তক্ষেপের শামিল বলে বিশ্বাস করেন মুসলমানরা। নেতা-মন্ত্রীদের এসব আচরণ ও বক্তব্যের মাধ্যমে ভারত একটি হিন্দুত্ববাদী সাম্প্রদায়িক দেশ হিসেবে বিশ্ব পরিমণ্ডলে ঘৃণিত ও সমালোচিত হচ্ছে বলে ইতিপূর্বে মন্তব্য করেছেন দেশ-বিদেশের বরেণ্য ইসলামি স্কলারগণ।

    কওমীনিউজ/মুনশি


    Facebook Comments

    বাংলাদেশ সময়: ১১:২৪ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২০

    qaominews.com |

    advertisement

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    advertisement
    শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০ 
    advertisement

    Editor : A K M Ashraful Hoque

    51.51/A,, Resourceful Paltal City, Purana Paltan, Dhaka-1000
    E-mail : qaominews@gmail.com

    ©- 2020 qaominews.com all rights reserved