• বুধবার ২৫শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

    শিরোনাম

    কীভাবে মানবপাচার করতেন এমপি পাপুল?

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৮ জুন ২০২০ | ৮:০৯ অপরাহ্ণ

    কীভাবে মানবপাচার করতেন এমপি পাপুল?

    মানবপাচার ও মুদ্রাপাচারে অভিযোগে কুয়েতে আটক লক্ষ্মীপুর-২ আসনের বিতর্কিত সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল এবার দেশটির গোয়েন্দাদের চাপে পড়ে মুখ খুলতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি তার অবৈধ কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্ন রাখতে কুয়েত সরকারের তিন প্রভাবশালী কর্মকর্তাকে ২১ লাখ দিনার (বাংলাদেশি টাকা ৫৭ কোটি ৫৪ লাখ) ঘুষও দিয়েছিলেন। কুয়েতের ইংরেজি সংবাদমাধ্যম আরব টাইমস অনলাইন এ নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

    এতে বলা হয়, মানব পাচার, ভিসা নবায়ন আর অবৈধ মুদ্রা পাচারের মামলায় আটক বাংলাদেশের নাগরিকের নতুন নতুন রহস্য উন্মোচিত হচ্ছে। তার অবৈধ কর্মকাণ্ডের সহযোগী যে তিনজনের নাম তিনি বলেছেন তাদের মধ্যে একজন কুয়েতের একটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও একজন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বেসামরিক কর্মকর্তা। অন্যজন গুরুত্ব পদে দায়িত্ব পালন করছেন।


    কুয়েত ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কুয়েতের কর্মকর্তারা সেখানকার সরকারি দরপত্র কমিটি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তারা বাংলাদেশের নাগরিকের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় ঘুষ ও উপহার নিয়েছেন বলে জানতে পেরেছেন।

    জিজ্ঞাসাবাদে পাপুল জানিয়েছেন, কুয়েতি মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা যেদিন ক্লিনিং কোম্পানিতে পাপুলের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন, সেদিন সেখানকার সব কুয়েতি কর্মীকে ছুটি দেওয়ার কথা বলেছিলেন, যাতে তাকে কেউ চিনতে পারে। ওই কর্মকর্তার কথামতো পাপুল স্থানীয় কর্মীদের ছুটিও দিয়েছিলেন। সেখানেই তাকে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।


    তদন্ত কর্মকর্তাদের পাপুল জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তাকে ১১ লাখ কুয়েতি দিনার দেন তিনি। এর মধ্যে ১০ লাখ কুয়েতি দিনারের একটি চেক ছিল। বাকি এক লাখ দেওয়া হয় নগদ। বিনিময়ে তিনি তাকে অবৈধভাবে কর্মী নিতে সহায়তা করেছিলেন তিনি।

    একজন সাধারণ শ্রমিক হিসেবে কুয়েতে যাওয়া পাপুল বর্তমানে কুয়েতের একটি কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তার মালিকানাধীন মারাফি কুয়েতিয়া গ্রুপে ১৫ থেকে ২০ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি কাজ করেন বলে ধারণা করা হয়। গালফ নিউজের খবরে বলা হচ্ছে, পাঁচ বাংলাদেশির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পাপুলের বিরুদ্ধে মানবপাচার, অর্থপাচার ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের শোষণের অভিযোগ এনেছে প্রসিকিউশন।


    এমপি পাপুলের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার সর্বোচ্চ ১৫ বছর জেল হতে পারে। কেননা কুয়েতের আইন অনুযায়ী অর্থ ও মানবপাচার বড় ধরনের অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।

    Facebook Comments

    বাংলাদেশ সময়: ৮:০৯ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২০

    qaominews.com |

    advertisement

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    advertisement
    শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০ 
    advertisement

    Editor : A K M Ashraful Hoque

    51.51/A,, Resourceful Paltal City, Purana Paltan, Dhaka-1000
    E-mail : qaominews@gmail.com

    ©- 2020 qaominews.com all rights reserved