প্রচ্ছদ সংগঠন সংবাদ, স্লাইডার

মহানবী সা.সম্পর্কে ঔদ্ধত্যপূর্ণ ষ্ট্যাটাস পোষ্টকারীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি

স্টাফ রিপোর্টার | মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭ | পড়া হয়েছে 466 বার

মহানবী সা.সম্পর্কে ঔদ্ধত্যপূর্ণ ষ্ট্যাটাস পোষ্টকারীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি

ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী বলেছেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব মহানবী সা., সম্পর্কে টিটুর বল্গাহীন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ, ব্যাঙ্গাত্মক, অবমাননাকর ও অশোভন ষ্ট্যটাস পোষ্ট করায় রংপুরে সংক্ষুব্ধ জনগণের সহিংস প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে গৃহিত পদক্ষেপের মতোই মহানবী সা. সম্পর্কে ঔদ্ধত্যপূর্ণ ষ্ট্যাটাস পোষ্টকারীদের বিরুদ্ধে একশন চাই। রংপুরে সংঘটিত অনাকাংখিত ঘটনা জনমনে ঘণীভূত অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ মাত্র । কারণ টিটু রায়ের ষ্ট্যটাসের মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহানবী সা. সম্পর্কে বিদ্বেষী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। তাঁর এই ষ্ট্যটাস ছিল মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ইসলাম বিদ্বেষী মনোভাবের পরিচায়ক।

আাইওজে চেয়ারম্যান এক বিবৃতিতে বলেন, বিদেশিদের অনুকম্পালাভের লক্ষ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একশ্রেণীর লোক প্রায়শঃ মুসলিম জনতার ধর্মীয় বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে আঘাতসম্বলিত সিন্ডিকেটিভ স্ট্যটাস পোষ্ট করে থাকে। এর আগে গোপালগঞ্জ, নড়াইল, বরগুনা, বাগেরহাট, খুলনা ও দিনাজপুরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একশ্রেণীে লোক মহানবী সা. সম্পর্কে কটুক্তি সম্বলিত স্ট্যাটাস পোষ্ট করে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত হানে। এতে প্রশাসন উত্তপ্ত পরিস্থিতি প্রশমিত করার জন্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে লোক দেখানো গ্রেপ্তার করে। পরিস্থিতি শান্ত হলে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেয়া হয়। মহানবী সা., ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে অবমাননাকর কটুক্তির দায়ে এপর্যন্ত কা্উকে শাস্তি দেয়া হয়েছে বলে জানা যায়নি। তাই তারা দ্বিগুন উৎসাহে এধরনের কাজে প্রবৃত্ত হয়ে সাম্প্রদায়িক সংঘাত সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

তিনি বলেন, বল্গাহীন ষ্ট্যটাস পোষ্টকারীকে গ্রেপ্তার করা হলে একশ্রেণীর পত্র-পত্রিকা ও মানবাধিকার সংগঠন সক্রিয় হয়ে ওঠে। অথচ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত সম্বলিত কোনো বক্তব্য জাতিসংঘসহ সকল আন্তর্জাতিক আইনের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। দেশে বলবৎ আইনেও এ ধরনের বক্তব্য নিষিদ্ধ। তাই মুক্তবুদ্ধি বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বলে মানুষ ইচ্ছে করলেই যা তা করতে পারে না, বলতে পারে না। মানুষ বিবেক বিবেচনা, ধর্মীয় অনুশাসন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইনের বাঁধার প্রাচীরে আবদ্ধ। কেউ কেউ মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে এদের পক্ষ অবলম্বন করে থাকে। মুসলমানেদের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত দিলে তথাকথিত মানবাধিকারের প্রবক্তারা নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করে থাকে। এতে মনে হয় সরকারের ওপর এদের ধনন্তরী প্রভাব রয়েছে।

তিনি মুক্তবুদ্ধি ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার তথাকথিত প্রবক্তাদের তীব্র সমালোচনা করে বিবৃতিতে আরো বলেন, মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, অশোভন বক্তব্য মত প্রকাশের স্বাধীনতার পর্যায়ে পড়েনা। বরং তা সার্বজনীন মানবাধিকারের পরিপন্থী।

qaominews.com/কওমীনিউজ/এইচ

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

আর্কাইভ